ইইউর নতুন বিধিনিষেধ

সংকটে আইভরি কোস্টের ক্ষুদ্র কোকোচাষীরা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন বন উজাড়বিরোধী আইন কার্যকর হলে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হতে পারে—এমন আশঙ্কায় পড়েছেন আইভরি কোস্টের ক্ষুদ্র কোকোচাষী ও রফতানিকারকরা।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন বন উজাড়বিরোধী আইন কার্যকর হলে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হতে পারে—এমন আশঙ্কায় পড়েছেন আইভরি কোস্টের ক্ষুদ্র কোকোচাষী ও রফতানিকারকরা। বিশ্বের শীর্ষ কোকো রফতানিকারক দেশটিতে নতুন আইন অনুযায়ী, প্রতিটি কোকোর সরবরাহ সম্পর্কে নিশ্চিত করতে হবে যে সেটি বন ধ্বংসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। খবর রয়টার্স।

ইইউর প্রস্তাবিত আইনটির ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এতে কোকোসহ নির্দিষ্ট পণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে সরবরাহ চেইনের উৎস সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্যপ্রমাণ দিতে হবে। এজন্য আইভরি কোস্ট সরকার একটি ডিজিটাল কার্ড চালু করেছে, যা কৃষকের পরিচয়সহ অর্থ প্রদানের মাধ্যম হিসেবেও কাজ করবে। এখন পর্যন্ত দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ কোকোচাষী কার্ডটি পেয়েছেন।

তবে স্থানীয় ছোট রফতানিকারক ও কোকোচাষীদের কো-অপারেটিভ বা সহযোগী সংগঠনগুলো বলছে, নতুন আইন মানতে গিয়ে তাদের খরচ ও জনবল সংকটে পড়তে হবে। বড় বড় বহুজাতিক কোম্পানি যেখানে কেজিপ্রতি ২০০ সিএফএ (প্রায় ৩৬ সেন্ট) ব্যয় করতে পারবে, সেখানে ক্ষুদ্র রফতানিকারকদের পক্ষে এ অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়।

বিভিন্ন কো-অপারেটিভের নেতারা বলছেন, সরকার যদি সাহায্য না করে, তাহলে আগামী দুই বছরের মধ্যে ক্ষুদ্র রফতানিকারকদের কেউই টিকে থাকতে পারবে না।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বন উজাড় রোধ ও পণ্যের উৎস শনাক্ত করার ব্যবস্থা (ট্রেসিবিলিটি) গুরুত্বপূর্ণ হলেও এ নিয়ম ইউরোপের বড় বড় কোম্পানির স্বার্থ রক্ষায় বেশি কার্যকর হবে। অন্যদিকে আফ্রিকার মতো দেশের ছোট ব্যবসায়ীরা এতে বিপাকে পড়বেন।

আরও